ক বি সু প্র ভা ত মে ট্যা
সুপ্রভাত মেট্যা
শ্রীনিবাসিনী সান্ধ্য মেয়ে
নীরবতার অর্থ যদি শূন্যতার হয়
তবে একটা ভয় থমথমে ,
ফারাকের আকার নিয়ে দেওয়ালের রূপ নেবে নিশ্চিত ।
মালিন্য মনের গোধূলি থেকে
বিভেদরেখারা এগিয়ে আসবে ,ঠিক এইভাবে ।
তার চেয়ে চলো যাই ,রাস্তা পেরিয়ে
অনেক রাস্তার পিছনে যে সময় লুকানো রয়েছে ,তার কাছে ।
তার বয়স খুঁজে বেড়াই।হইচই করি ।আনন্দ স্ফূর্তিতে মেলে দিই পুরনো দিনের ধুলোর ডানা ।
তা নাহলে কিন্তু ,সেই একদিন
অদ্ভুত রাতের রাস্তায় ,শ্রীনিবাসিনী সান্ধ্য মেয়ের মতো
ভুতের ভয় পরিসরে গিয়ে ,গাছের ডালে, বিধবা ধবধবে সাদায়
নিজের ছায়া দেখতে পেলে ,
তোমার আর আমাকে কিছু বলার থাকবেনা ।
ক্ষমার পাথরবাটিতে করে
যেকোনও ফুলের বিচ্ছিন্নতায়
কান্না অবধি তোমার ঠোঁট ফুঁপিয়ে
লাল হয়ে উঠলে ,তাকে কি পালিশ বলবে ?
রাগেরও তো একটা
রাঙ্গা পলাশ ফুটে উঠবার ভালো কথা আছে
আর রক্ত তুলে ধরবার ভাষা ,কি নেই ?
তবে সন্ধে হয়ে এলে
তিনি ,আর তাঁর পরে থাকা লাল জামা
ক্ষমার পাথরবাটিতে করে
স্নেহ আর রসে টইটুম্বুর দুটি গোল্লা তুলে ধরলে ,আমি কী খুশিতে যে আরও পাগল হয়ে উঠি....


Comments
Post a Comment