ক বি অ ভি জি ৎ দা স ক র্ম কা র
অভিজিৎ দাস কর্মকার
বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর শহরে বেড়ে উঠেছেন এবং ইংরাজী সাহিত্যে স্নাতকোত্তর (সাম্মানিক) উত্তীর্ণ হন।২০০০ সাল থেকে কবিতা লেখা শুরু করেন। কবির লেখায় ট্রাডিশনাল ছকের বাইরে নতুন গঠনশৈলী এবং আঙ্গিক লক্ষ্য করা যায়। কবির কবিতা জীবন শুরু হয় সমাকৃতি পত্রিকার হাত ধরে। পরবর্তীতে ঘাসমাটি, কবিতা পাক্ষিক, গ্রন্থী, বইতরণী, কবিতা আশ্রম, মাসিক কৃত্তিবাস সহ বিভিন্ন অনলাইন এবং প্রিন্ট পত্রিকায় নিয়মিত লিখে চলেছেন। এযাবৎ কবির ৬ টি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।কবি ২০২২ সালে ১৪০০ পত্রিকায় ভূষিত হয়েছেন।
দুটি কবিতায়
কবি অভিজিৎ দাস কর্মকার
ক্ষুধার রাজ্য
তুমি আহ্লাদ জানতে না
তাই হীনমন্যতা ধরেছে ভেতরে
বুকে টনটনে জ্ঞান,ফুটিফাটা
করার পরও
তুমি নিশ্চিন্ত। ঘুমাও। নতুন সুতি পরো।
তারা বিষাদের অক্ষর মাটির মতো বানিয়েছে।
ধারাপাত পড়া। চপেটাঘাত খাওয়া।
এসব বদহজমের পর, বাঁশেরাও ক্লান্ত
ওদের পিছনে তেল দাও। সবল করো।
তারা ক্ষুধার রাজ্যে চাঁদকেও
ঝলসা রুটি দেখে,আর পিপাসায়
জ্যোৎস্না খায়।
তুমি অবয়ব গড়ো। আমাদের
হিরক সাম্রাজ্যে তোমার মূর্তি।
একদিন শ্যাওলা লাগবে,তবু ইতিহাস
বেঁচে থাকবে নখের নীচের পুঁজে।
তাদের বুকে টনটনে থাকবে সম্ভ্রম
অভিমানের বুদবুদ
শব্দ
তোমার পাড়ভাঙা শাড়ি জেগে থাকে
স্বপ্নের মধ্যেও
ঘরকন্নার ভেতর মানুষের
জলছবি যেনো ঝরাপাতার
আলপনা: শুকনো নেশা
এই অনন্ত নেশার উদ্ভট গন্ধে
অটোগ্রাফ, ফটোগ্রাফ হয়ে গেছে
সে মালা : শুকনো বিধবা
তুমি নাভিমূল ছেঁড়
শরীরের আঁশটে চাহিদাগুলোতে
মাছির ভনভনানি
আমি শব্দ করি
আমি শব্দ লিখি


Comments
Post a Comment