ক বি স জ্জ ল দ ত্ত
সজ্জ্বল দত্ত
জন্ম:- ৬ই নভেম্বর ১৯৬৮ , কোলকাতায়।কবিতা লেখালেখির সূচনা ১৯৯৩ থেকে। প্রথম কাব্যগ্রন্থ "স্বাগত শ্রাবণ-জোনাকি " ( প্রকাশক : দাহপত্র, ১৯৯৭),দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ "পোস্টমর্টেম "(প্রকাশক: এই সহস্রধারা , ২০০০ )।পরবর্তীতে ২০২২ সালে সায়ন্তন পাবলিকেশন " অ্যালবাম "নাম দিয়ে এই দুই কাব্যগ্রন্থের এক মলাটের মধ্যে দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশ করেন।তৃতীয় কবিতা সংকলন " দাগ "(প্রকাশক:বারাকপুর স্টেশন,২০২০)। পেশায় কবি সজ্জ্বল দত্ত ভারতীয় জীবন বীমা নিগমের কর্মী ।
দুটি কবিতায়
কবি সজ্জ্বল দত্ত
পাপ
এই সেই অন্ধকার নড়াচড়া ডিগবাজি
সামান্য গরম ভাব বুক মুণ্ডু ঠ্যাং !
এই সেই অন্ধকার তীব্র বিবাদরাত
দ্বিতীয় তৃতীয় রিপু উনুনের আঁচ !
এই সেই অন্ধকার পুজোর প্রতিমা সাজ
দু'হাত বাড়িয়ে জোরে "আয় লক্ষ্ণী আয়" ডাকি
বুকের ওপরে পা শ্মশান কালীর !
এই সেই অন্ধকার ছিঁড়েখুঁড়ে আলো খুঁজি
হাতড়ে রাস্তা খুঁজি
অট্টহাসি পিশাচীনি ভুশুণ্ডির মাঠ !
অন্ধকার চেহারায় ।
প্রেতযোনী সাদা শাড়ি কপাল ঠুকতে থাকে
দে'য়ালের গায়ে ।
কান্নায় বিধিলিপি
ইঁটের গাঁথনি ভিজে
কপালের লেখনে কী নরম প্রলেপ !
একফোঁটা স্নেহরক্ত ঢালুপথে গঙ্গায় ।
রোজ ভোরে ঘাটস্নান পবিত্র আমি
কাজেকম্মে সর্বপাপঘ্নং ....
শয়তানি মাথা ছুঁয়ে চোখ ভিজে পিশাচীনি
ছেলেপিলে মুখ চেয়ে ভবিষ্যৎ আশায় !
রাক্ষসীবেলায়
বিকেল গড়িয়ে সন্ধে ঠিক ঠিক মিলেছে দু'য়ে ।
এসো খাবে এসো মা ,
এই কলার পাতার সামনে থিতু হয়ে বসো ।
দ্যাখো যা যা খেতে চাও সব পরপর সাজান
সঙ্গে এক চূর্ণী জল ।
রিক্সা দাঁড়িয়ে দূরে
পিছনে তাকিয়ে দ্যাখা আমার বারণ ।
কোথায় থাকবে কী কী খাবে এরপর !
আমার আবার কাল ঘুম থেকে উঠলেই অফিস ।
এখন তো পরিস্কার দেখতেই পাবে তুমি
কোথায় কখন কোন্ অপকর্মে মেতে আছি ,
কত তাড়াতাড়ি তুমি বছরে দু'বার
শুধু মালা দেওয়া " মা " ।
কতদিন ... হাজার লক্ষ বছর ...
সামনে নদীর জল বয়ে বয়ে শেষ ....
তুমি ...
বারবার তোমরা সবাই
উঁকিঝুঁকি রাক্ষসী নাড়িভুঁড়ি নিয়ে
ছেলের সাজান থালায় তবে এভাবেই ....


Comments
Post a Comment