কি ছু ব লা ক থা
কি ছু ব লা ক থা
হেমন্ত ছাড়িয়ে আমরা এখন ক্রমশঃ শীতের মুখোমুখি।শীতের আলস্য ছুঁয়ে আকাশে বাতাসে এখন উৎসবের সৌরভ। তাই হয়তো কবিতার পাশাপাশি চারিদিকে বিভিন্ন উৎসবের মহাআমেজ। আসলে,মহামারীর ভয়াবহ বিভীষিকা প্রায় দু'বছর ধরে যেভাবে অন্যান্য উৎসবের পাশাপাশি কবিতা উৎসবের প্রবাহকে রুদ্ধ করে রেখেছিল এখন যেন তা দ্বিগুন ধারায় আছড়ে পড়তে চাইছে।এর ফলে, কবিতা উৎসবকে কেন্দ্র করে পরস্পরের যোগসূত্রটা পুনরায় নতুন করে জারিত হচ্ছে ঠিকই কিন্তু বাস্তবিক কবিতার কতটুকু উপকার হচ্ছে বলা মুশকিল!
তবু বলব মাত্রাহীন ভাবে না হলেও অন্যান্য উৎসবের সঙ্গে কবিতা উৎসব থাকুক।কারণ,উৎসব তো মানুষের প্রাণশক্তি।তীব্র রুদ্ধতার মধ্যে নতুন এক জীবন প্রবাহ। সুতরাং, তাকে নিয়েই চলা পাথেয় ভেবেই তো বাঁধতে হবে জীবনধ্বনি, বোধের অক্ষরে অক্ষরে।তাহলেই মনে হয় একটা সার্থক ভারসাম্য রচিত হতে পারে কাব্যিক প্রবাহে।
আজ ৩০ নভেম্বর, ২০২২। প্রকাশিত হল আপনাদের প্রিয় 'নৌবত' ব্লগজিন পত্রিকার চতুর্দশ সংখ্যা। প্রতিটি সংখ্যার মতো এ সংখ্যায়ও নবীন-প্রবীণ কবিদের কবিতার পাশাপাশি অনুবাদ কবিতায় উজ্জ্বল হয়ে রয়েছেন যথাক্রমে কবি-অনুবাদক সপ্তর্ষি রায় ও তূয়া নূর।আর এবারের সংখ্যায় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সাতের দশকের অন্যতম কবি দীপক হালদার-র অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী থাকাকালীন দূরভাষে দীর্ঘ এক সাক্ষাৎকার।
আশা করি প্রতি সংখ্যার মত এ সংখ্যাটিও আপনাদের ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হবে না।
পুন:--
দুঃখ এই যে,'নৌবত' ব্লগজিন পত্রিকার নয়ের দশক সংখ্যাটি আলোকিত করেছিলেন যে প্রিয় কবিবন্ধুরা তাঁদের একজন আজ আমাদের মধ্যে নেই। অকালে প্রয়াত হয়েছেন কবি নাসিম-এ-আলম। তাঁর পাশাপাশি হারিয়েছি আর এক প্রবীণ কবি কৃষ্ণ ধরকেও।তাঁদের প্রতি 'নৌবত' পরিবারের পক্ষ থেকে রইল আন্তরিক শ্রদ্ধা।
ছবি ঋণ:- 'জলভূমি' ওয়েবজিন ও গুগল।

Comments
Post a Comment