Posts

Showing posts from November, 2022

নৌ ব ত ব্লগজিন পত্রিকা,১৪শ সংখ্যা, নভেম্বর,২০২২

Image
নৌবত ব্লগজিন১৪∆অগ্রহায়ণ১৪২৯∆নভেম্বর২০২২ যোগাযোগ:-noubotlittlemag94@gmail.com কথা:৭৯০৮৩৫১৬৮০

সূ চি প ত্র

Image
সূ চি প ত্র কিছু বলা কথা:- কবিতা -১ কবি তাপস ওঝা∆ কবি প্রশান্ত চক্রবর্তী∆কবি নিমাই মাইতি ∆ কবি নন্দিতা সেন বন্দ্যোপাধ্যায়∆ কবি পবিত্র মন্ডল∆ কবি কল্লোল বন্দ্যোপাধ্যায়∆কবি  গোলাম রসুল ∆ কবি দেবব্রত চট্টোপাধ্যায় ∆ কবি সুস্নাত জানা ∆  কবি মজিদ মাহমুদ∆ কবি কাজল রায়∆ কবি সজ্জ্বল দত্ত। @সাক্ষাৎকার :-   ∆সাতের দশকের অন্যতম কবি দীপক হালদার -এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় কবি-প্রাবন্ধিক তাজিমুর রহমান। অনুবাদ কবিতা:- বিশিষ্ট পোলিশ কবি জবিগনিয়েভ হেরবেরট -এর কবিতার অনুবাদে কবি-অনুবাদক সপ্তর্ষি রায়। বিশিষ্ট আমেরিকান-লেবানিজ কবি খলিল জিবরানের কবিতার অনুবাদে  কবি-অনুবাদক তূয়া নূর । C/O সম্পাদকের জানালা ~  ∆এ সংখ্যার জন্য মনোনীত সম্পাদক হলেন ' সাহিত্যের বেলাভূমি' পত্রিকার সম্পাদক কবি অরুণ পাঠক। কবিতা:-২ কবি বনানী চক্রবর্তী∆কবি   মহিবুর রহমান ∆ কবি অভিজিৎ দাস কর্মকার ∆ কবি মনোজ পাইন∆ কবি শরৎ চট্টোপাধ্যায়∆ কবি শুভশ্রী রায়∆ কবি সুপ্রভাত মেট্যা ∆ কবি লিপি চৌধুরী ∆কবি পম্পা মন্ডল∆ কবি রমেশ পাত্র∆ কবি নাদিরা আজাদ।   

কি ছু ব লা ক থা

Image
কি ছু ব লা ক থা   হেমন্ত ছাড়িয়ে আমরা এখন ক্রমশঃ শীতের মুখোমুখি।শীতের আলস্য ছুঁয়ে আকাশে বাতাসে এখন উৎসবের সৌরভ। তাই হয়তো কবিতার পাশাপাশি চারিদিকে বিভিন্ন উৎসবের মহাআমেজ। আসলে,মহামারীর ভয়াবহ বিভীষিকা প্রায় দু'বছর ধরে যেভাবে অন্যান্য উৎসবের পাশাপাশি কবিতা উৎসবের প্রবাহকে রুদ্ধ করে রেখেছিল এখন যেন তা দ্বিগুন ধারায় আছড়ে পড়তে চাইছে।এর ফলে, কবিতা উৎসবকে কেন্দ্র করে পরস্পরের যোগসূত্রটা পুনরায় নতুন করে জারিত হচ্ছে ঠিকই কিন্তু বাস্তবিক কবিতার কতটুকু উপকার হচ্ছে বলা মুশকিল! তবু বলব মাত্রাহীন ভাবে না হলেও অন্যান্য উৎসবের সঙ্গে কবিতা উৎসব থাকুক।কারণ,উৎসব তো মানুষের প্রাণশক্তি।তীব্র রুদ্ধতার মধ্যে নতুন এক জীবন প্রবাহ। সুতরাং, তাকে নিয়েই চলা পাথেয় ভেবেই তো বাঁধতে হবে জীবনধ্বনি, বোধের অক্ষরে অক্ষরে।তাহলেই মনে হয় একটা সার্থক ভারসাম্য রচিত হতে পারে কাব্যিক প্রবাহে। আজ ৩০ নভেম্বর, ২০২২। প্রকাশিত হল আপনাদের প্রিয় 'নৌবত' ব্লগজিন পত্রিকার চতুর্দশ সংখ্যা। প্রতিটি সংখ্যার মতো এ সংখ্যায়ও নবীন-প্রবীণ কবিদের কবিতার পাশাপাশি অনুবাদ কবিতায় উজ্জ্বল হয়ে রয়েছেন যথাক্রমে কবি-অনুবাদক সপ্ত...

ক বি তা প স ও ঝা

Image
  তাপস ওঝা  জন্ম:- বীরভূম জেলার দুবরাজপুরে। ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে। তরুণ বয়সেই জড়িয়ে পড়া মানসলোক পত্রিকার সঙ্গে। সামান্য পরে সেই পত্রিকার সম্পাদনার কাজেও হাত লাগান। লিখতে শুরু করেন বাংলার বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায়। কুড়ি বছর বয়সে কলকাতায় চলে আসেন। লেখালেখির বৃত্ত কিছুটা বড় হয়। বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকাগুলিতেও লিখতে শুরু করেন। এখন পর্যন্ত পাঁচটি কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে। দুটি কবিতায় কবি তাপস ওঝা মোহ   কথক মানুষ অনায়াস ক্ষমতায় হাওয়ার আবরণ সরিয়ে ফেলে - ঠাট বজায় রাখতে দেয় না  নিন্দে-করা লোকজনদের। কথক মানুষ গাছের সঙ্গে গাছের ছায়ার                                  ঝগড়া লাগিয়ে দেয়  বিশেষ কারণে। আমি তৃতীয় শ্রেণীর ম্রিয়মাণ মানুষ গুছিয়ে-টুছিয়ে রাখি সেইসব সাজানো কথার ঝুড়ি। কেন যে গুছিয়ে রাখি- নিজেই জানি না। সর্বনাশের আশায়  আমার আয়-ব্যয়ের হিসেব যে খাতায় লেখা ছিল - খুঁজে পাচ্ছি না, খুঁজেই পাচ্ছি না। পয়সা রাখার ঝোলাট...

ক বি প্র শা ন্ত চ ক্র ব র্তী

Image
  প্রশান্ত চক্রবর্তী  জন্ম: -১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৩। ১৪এ শ্যামসুন্দর পল্লী সেকেন্ড লেন । শকুন্তলা পার্ক,সরশুনা , কলকাতা :৭০০০৬১ অবসরপ্রাপ্ত বি,এস,এন,এল কর্মী । গত শতকের সত্তর দশক থেকে নিয়মিত লেখালিখির শুরু। কবিতা প্রবন্ধ ও গল্প লেখার বিষয়আশয়।এ ছাড়া নিবিড় কবিতাপাঠ । প্রকাশিত গ্রন্থ :  তিনটি কবিতার বই । দুটি কবিতায় কবি প্রশান্ত চক্রবর্তী শোকগান   আমাদের শোকগাথা পড়া শেষ হলো । আগুনের কথা ছিলো ,জলেরও কথা । সমবেত পাঠের শেষে স্তব্ধতা মেঘ হয়ে এলো যেহেতু, মৃত্যুর বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না ।  অনুপস্থিতির নিজস্ব আলোক আছে ।  চকিতে বিহ্বল হয়, পাকা ফসলের গন্ধ আনে গোপনে গোপনে , হৃদয়ে  ছড়ায় ।  বৃক্ষের স্বভাব নিয়ে নিবিড় মমতা জ্বেলে  দেয় মর্মলোক , শান্ত আলো। ভাঙা সাঁকো দুলে দুলে সময় কাটায় ।  কর্মময় কোলাহল ,উপনিষদের পাতা পার হয়ে  নিষ্ঠুরতা পার হয়ে , কাকডাকা  ভোরে শোকগান গায় । শোকগাথা পড়া চলতেই থাকে ।  চেরাপুঞ্জির বিকেল        এই তো প্রথম দেখা হলো এতো কাছে ,শ্বাসের নিকটে এসে দাঁড়ালাম ।  একা মানুষ স্বীকারোক্তির জন্য যেভা...

ক বি নি মা ই মা ই তি

Image
  নিমাই মাইতি   জন্ম: ১৯৫৬, ২৫অক্টোবর। মাতুলালয় দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় জন্ম হলেও নিজবাড়ি সবং এর গোপালপুর এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে বেড়ে ওঠা ও শিক্ষাদীক্ষা। ১৯৬৯-৭০ থেকে কবিতা ও গান লেখা শুরু। শিক্ষা বি.এ,বি.কম। পেশা বেকার। সম্পাদিত পত্রিকা 'দিনকাল'। এ পর্যন্ত 11 টি কবিতার বই, 1 টি গল্প বই,1 টি ছড়া বই, 1টি উপন্যাস,1 টি সম্পাদনা(প্রসঙ্গ মঞ্জুষ দাশগুপ্ত)।সম্মাননা- পঞ্চানন স্মৃতি সম্মান, মেছদা সাহিত্য সম্মান,শরৎ সম্মান ইত্যাদি। বাংলা দেশ সহ বহু পত্রপত্রিকায় কবিতা গল্প ছড়া প্রকাশিত। এছাড়া বহু গানের সুর ও দিয়েছি। নিজেই গীতিকার সুরকার শিল্পী। দুটি কবিতায় কবি নিমাই মাইতি একটা জীবন একটা কবিতা গাছের আঁঠায় লেগে আছে অন্ধকার, সোনাঝুরির ডালে ঝুলছে উইয়ে খাওয়া কবিতা আমি আঁকশি দিয়ে পাড়তে গেলে কয়েকটা শালগাছ তীর ধনুক বাগিয়ে আমাকে মারতে উদ্যোত। -- তুই মর তুই মর কবি ও কবিতা তুই পাড়বিনে ওটাই তো বাঁচিয়ে রেখেছে এই শালমহুয়ার বন, এই জঙ্গলের গান ফুটিফাটা জীবনের কোলাহল। ভালোবাসার জন্য যেদিন জ্যোৎস্না এসে মাটিকে সঙ্গম করে সেদিনই তোমার নূপুরে ঝর্না নদী ভেসে যায় কোথাও মন্দাকিনী কোথাও নর্মদা কোথাও ভাগীরথী। আমি ...

ক বি ন ন্দি তা সে ন ব ন্দ্যো পা ধ্যা য়

Image
  নন্দিতা সেন বন্দ্যোপাধ্যায় জন্ম:- ১২ জানুয়ারি,১৯৫৮। উত্তর কলকাতা,বিধান সরণি। শিক্ষাগত যোগ্যতা:-ইতিহাসে এম.এ রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। জীবিকা:-Govt of india-র পথশিশু প্রকল্প। এছাড়া ও child rights ও women's right's  নিয়ে কাজ করে ছেন, শিক্ষকতা করেছেন দীর্ঘ দিন। ৩. সম্বর্ধনা  লাভ:- হাওড়ার একটি আবৃত্তি  র সংগঠন  "কথোপকথন " দ্বারা ২০১৯ সালে "নিহারেন্দু দাস গুপ্ত " স্মৃতি সম্মান ২৫ সে ফেব্রুয়ারী এবং রানাঘাট "কবি গোপাল ভৌমিক "স্মৃতি সংসদ  দ্বারা ১৫ ই মার্চ,২০১৯ সালে সম্বর্ধনা লাভ। দুটি কবিতায় কবি নন্দিতা সেন বন্দ্যোপাধ্যায় মৃত্যু এক অন্য নীরবতা বাইরে ঝড়। তবু  ভে তরে গাইছে কেউ। বেহালার  ছড়  টেনে বিষন্ন সুরে। মা হাঁটছেন এক 'পা দু'পা ফেলে। স্মৃতি, স্বপ্ন জে গে ওঠে। শরীরে  জন্মের দাগ নিয়ে, মৃত্যু র  হাত ধরে  মা গেলেন, ভিন্ন  জনপদে। মৃত্যু এক অন্য নীরবতা। দুটি কবিতা  ১.  মরীচিকা র মতো সব দৃশ্য গুলি, সাজানো সবুজে পল্লবিত। কিন্ত হাত বাড়ালে ই অধরা। ২. ছড়ানো  খই  হয়ে সাদা রাস্তা।  পাশে এক কালো বাড়ি, ক...

ক বি প বি ত্র ম ন্ড ল

Image
  পবিত্র মন্ডল  জন্ম:- বনগাঁ মহকুমার গোপালনগরে ১৯৫৮ সালে। বনগাঁ কলেজ থেকে ১৯৮০ সালে ইংরেজীতে সাম্মানিক স্নাতক ও ১৯৮২ সালে কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৮০তে কোলকাতা ট্যাংরা  পোষ্টাফিসে পিওনের চাকরি, ১৯৮৪তে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন স্কুলে শিক্ষকতা । ১৯৮৯ সালে বিসিএস পাশ করে মুর্শিদাবাদে বিডিও, নানান জেলায়  ও পরে কোলকাতায় বিভিন্ন পদে কাজ করে  ২০১৮ সালে  পশ্চিমবঙ্গ ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরে বিশেষ সচিব পদে অবসর নেন। বর্তমানে ল্যান্ড ট্রাইব্যুনালে বিচারকের পদে নিযুক্ত । প্রকাশিত গ্রন্থ: –  কাব্যগ্রন্থঃ জলে  মৃদঙ্গে বাজে ঝড় (যুগ্ম সঙ্কলন), স্বপ্ন খনন, দেহলগ্ন, উৎক্ষিপ্ত ডানা, উজ্জ্বল আকাঙ্খা, শুধু কবিতার জন্য,  Dream and Fire,  (ইংরেজী ,যুগ্ম সংকলন), স্বপ্নের ভার(ছোট গল্প সংকলন), উজ্জ্বল আকাঙ্ক্ষা, শুধু কবিতার জন্য। দুটি কবিতায় কবি পবিত্র মন্ডল খুঁজে ফেরা একদিন জীবন বড় রঙচটা লাগে -  সেদিন বাতাসের ঠোঁটে শিস বাজে না, উড়ন্ত শালিকের ডানায় দাগ কাটে না, আকাশে মেঘের আলপনা আঁকে না… অথচ সেদিনও সবই ছিল মনের মতন :...

ক বি ক ল্লো ল ব ন্দ্যো পা ধ্যা য়

Image
কল্লোল বন্দ্যোপাধ্যায়  জন্ম: -১৯৫৭।প্রথম কবিতা প্রকাশ দেবকুমার বসুর সময়ানুগ পত্রিকায়।সম্পাদিত পত্রিকা অর্হণ।১৩ টি কবিতার বই এ যাবৎ প্রকাশিত হয়েছে। মূলত লিটল ম্যাগাজিনে লেখালিখি তবে দু'পাঁচ বার বাণিজ্যিক পত্রিকায় লিখেছেন। প্রাপ্তি গোঁসাই বাগানে তার লেখালিখির ওপর জয় গোস্বামীর আলোচনা।নিজের সামান্য লে খালিখি নিয়ে একটি নিটোল কবিতার কাছে পৌঁ ছনো অবশিষ্ট জীবনের অভীষ্ট। দুটি কবিতায় কবি কল্লোল বন্দ্যোপাধ্যায় ভয় বাজুবন্দ খুলে যাচ্ছে ক্রমে... আমি তার মুখ ভুলে যাই ফসিল কুড়োতে গিয়ে ঠুকে ঠুকে পাথর ভেঙেছি ভিতরে ভিতরে সব লতা,পাতা, কীট আলোর ভয়েতে শুধু চোখ বুজে ফেলে... সমদর্শিতা এখন রাতকে লিখি... দুটো সাপ দুদিকে গিয়েছে অন্ধকার সাধুর ঝুপড়ি ভিতরে ভোগীটি বসে দুইহাতে জোনাক কুড়ায় গাছেরা দুহাত তুলে গৌর নিতাই আমি আর সাধুর কুকুর একপাত্রে ভোজনে বসেছি  মেয়েপাড়া এত পাতা একসঙ্গে ফিসফিস করে         এত বড় গাছের বাজারে শুকনো বাকল খুলে রেখে কেউ বুঝি স্নানেতে                          ...

ক বি গো লা ম র সু ল

Image
গোলাম রসুল জন্ম :-১৫ মার্চ,১৯৫৯ (স্কুলের দেওয়া)।ভাঙড় , দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা।২০০৭ সাল থেকে শুরু লেখালেখি।প্রকাশিত গ্রন্থ- কষ্ট, মেঘ এখানে এসে অন্যমনস্ক হয়ে যায়, নিদারুণ ছায়া প্রভৃতি মোট সতেরটি । দুটি কবিতায় কবি গোলাম রসুল গোধুলি সন্ধ্যার স্মৃতি গোধুলি সন্ধ্যার স্মৃতি পটভূমি জুড়ে  শুধুই বিপন্নতা প্রহেলিকা পূর্ণ  কিসের শান্ত ছাদ যেখানে নৌকার পালগুলো করছিলো গলাগলি সমুদ্র ব্যবসায়ীরা  নামিয়ে দিয়েছে অন্তিম জাহাজ যা কালো কালো বাজনা তিমির মতো মেঘ এসে হানা দেয় জলের দাপটে  আমার শোক একমাত্র নক্ষত্র সময়ের ভেতরে লোভের গহনাগুলো গুলো দেখা যায় আমি হৃৎপিণ্ড দিয়ে বাজাই নক্ষত্রের আংশিক আলো আর অন্ধকার এত কাছে চলে আসে লিখতে পারি না  আমাদের  যেতে হয় শহরের ভেতরে নৌকা করে যেমন আমাদের অলৌকিক ভেসে যাওয়া তখন স্পন্দিত হয় কবর স্নায়ুর ওপরে থাকে কিছু একটা  প্রাণঘাতী কোনো ক্ষত হয়ে ওঠে একমাত্র নক্ষত্র পৃথিবী  তার দুলন্ত রশির খুঁটি মানুষ ও তার অভিশাপ জলে হারিয়ে যায়  জলের ভয়ংকর  পায়ের ছাপ          ...